শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ বাংলাদেশ ব্যাংকের বিএসইসির নির্বাহী পরিচালকদের দায়িত্বে রদবদল সূচকের উত্থানে কমেছে লেনদেন দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে জিকিউ বলপেন লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের মূলধন বাড়াতে ৫০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরএকে সিরামিকস পুনরায় উৎপাদন ফিরলো আমরা নেটওয়ার্কসের বোর্ড সভার তারিখ পরিবর্তন আগামী ৩ সেপ্টেম্বর নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের তালিকা প্রকাশ সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত
শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ বাংলাদেশ ব্যাংকের

শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ বাংলাদেশ ব্যাংকের

আজকের পুঁজিবাজার:দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিল্পকারখানা পুনরায় চালু, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং স্থবির অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ১৭টি ব্যাংক থেকে ৪১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

‎বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

‎প্রণোদনা তহবিলে অর্থ দিতে সম্মত হওয়া ব্যাংকগুলো হলো—সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, এনসিসি ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক ও সাউথইস্ট ব্যাংক।

‎এর আগে গত ২৩ মে বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালু, বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।ক্রেডিট কার্ড পান

‎মোট তহবিলের মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ৪১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। বাকি ১৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক নিজস্ব তহবিল থেকে দেবে।

‎প্রণোদনা প্যাকেজের সবচেয়ে বড় অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিল্পকারখানা পুনরায় চালুর জন্য ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ তহবিল থেকে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের গড়ে সাড়ে ৭ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়ার কথা রয়েছে।অর্থনীতি বই পড়ুন

‎প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেছিলেন, এটি মূলত ‘উৎপাদন ও কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধার’ কর্মসূচি। এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ২৫ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, বন্ধ ও অচল শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় উৎপাদনে ফিরলে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়বে এবং দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে অর্থনীতিতে নতুন গতি আসবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

?>
© All rights reserved © 2023 ajkerpujibazar.com
Design & Developed by BD IT HOST